ইসরায়েলি নিপীড়ন থেকে ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় দায়িত্ব রয়েছে তুরস্কের, গাজায় নিহত শিশুর সংখ্যা ছাড়াল ৪ হাজার
নভে 6, 2023 / GMT+6
ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় পাশে থাকবে তুরস্ক। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় রক্তপাত বন্ধ করা তুরস্কের দায়িত্ব, যেটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখের সামনে ঘটছে। তবে গাজার ভাই ও বোনদের কখনও একা ফেলে দেবে না তুরস্ক বলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
রবিবার (৫ নভেম্বর) তুরস্কের কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী প্রদেশ রিজে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড। এরদোগান বলেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় রক্তপাত বন্ধ করা তুরস্কের দায়িত্ব। যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখের সামনে ঘটছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, গাজায় অনৈতিক, নীতিহীন, ঘৃণ্য গণহত্যাকে যারা সমর্থন করছে তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলা আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। তার ভাষায়, ‘ইসরায়েলের নিপীড়ন থেকে ফিলিস্তিনিদের বাঁচানোর দায়বদ্ধতা রয়েছে তুরস্কের।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখের সামনেই গাজায় যে রক্তপাত হচ্ছে তা বন্ধ করা আমাদের দায়িত্ব’। তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে যা কিছু দৃশ্যমান আমরা তার চেয়ে বেশি করছি এবং সেটি চালিয়ে যাব।’
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান প্রতিশ্রুতি দেন, তুরস্ক কখনোই গাজার ভাই ও বোনদের পরিত্যাগ করবে না। তার ভাষায়, ‘(গাজায়) এই অনৈতিক, নীতিহীন, ঘৃণ্য গণহত্যাকে সমর্থনকারীদের অপরাধের বিরুদ্ধে সরব হওয়াটা আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব।’
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, ‘যে খুনিরা পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে শিশু, মা এবং নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, সেইসাথে নিপীড়িতদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করছে, সেইসব চোরদের খুঁজে বের করা আমাদের মানবিক দায়িত্ব।’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, ‘জেরুজালেমের হারাম আল-শরিফের - যার মধ্যে আমাদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে - পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের আধ্যাত্মিক বাধ্যবাধকতা। তবে সেটি এমনভাবে করতে হবে যাতে অন্যান্য ধর্মের সদস্যদের অধিকারকে সম্মান করা হয়।’
এ ব্যাপারে যমুনা টিভি এক প্রতিবেদনে জানায় -
এদিকে সর্বশেষ তথ্য মতে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯ হাজার ৭০০। যার মধ্যে ফিলিস্তিনি শিশুর সংখ্যাই চার হাজারের বেশি।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় চলমান যুদ্ধে অন্তত ৪ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে এবং গত প্রায় এক মাসে ইসরায়েলি বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ৭৭০ জনে পৌঁছেছে বলে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।