দেশে ই-সিগারেট বন্ধে ৯টি সুপারিশ, নিষিদ্ধের দাবি ২২ সংগঠনের
নভে 25, 2023 / GMT+6
দেশে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ই সিগারেটের লাগাম টেনে ধরার পাশাপাশি তা বন্ধে ৯টি সুপারিশ করেন তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত ২২টি সংগঠন। আজ শনিবার ‘ই-সিগারেট বা ভেপিং জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: নিষিদ্ধ জরুরি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় সংগঠনগুলো।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত ২২টি সংগঠন ই-সিগারেট বন্ধে ৯টি সুপারিশ ও নিষিদ্ধের দাবি জানায়।
এসময় তারা বলেন যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের’ সংশোধনী প্রস্তাবে ই-সিগারেটের প্রচার, প্রসার, আমদানি, রফতানি, পরিবেশন, বিপণন নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেয়ার পরও অনেক সিগারেট কোম্পানি বিভিন্ন উপায়ে ক্ষতিকর এ পণ্যের প্রচারে বিভিন্ন নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে, যা দেশে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম সংকটের কারণ হতে পারে বলে জানান তারা।
এ সময় তারা এসব ই-সিগারেট বন্ধে ৯টি সুপারিশ জানায় যেগুলো হলো : বাংলাদেশে ই-সিগারেটের আমদানি, রফতানি, উৎপাদন, বিক্রয়, বিপণন, পরিবেশন, বিজ্ঞাপন বা প্রচার-প্রচারণা বন্ধে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;, নাটক, সিনেমা, ওয়েব সিরিজে ই-সিগারেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, অনলাইন বিজনেস সাইটসহ ই-সিগারেটের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি নীতিতে ই-সিগারেট জাতীয় পণ্য আমদানি ও রফতানি নিষিদ্ধ করা, অর্থ বিভাগ ও রাজস্ব বোর্ডের ই-সিগারেট, এর ডিভাইস, ই-লিকুইড, রিফিলসহ এ জাতীয় সব পণ্যের এইচআর কোড পণ্যের তালিকা প্রত্যাহার করা।
এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ই-সিগারেট, ভ্যাপ বা অন্য কোন নতুন নেশা জাতীয় বা তামাক জাতীয় অথবা নিকোটিন আছে এমন কোন পণ্যের অনুমোদন না দেয়া;, ই-সিগারেট প্রসারে কার্যরত সিগারেট কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের গোপন তৎপরতা অনুসন্ধান করে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া;, ই-সিগারেট বা ভেপিং জাতীয় পণ্যের ট্রেডমার্ক বা যে কোন ধরনের নিবন্ধন বাতিল করা এবং অতি দ্রুত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত খসড়া পাস করে বাংলাদেশকে ই-সিগারেট মুক্ত করা।
সংগৃহিত |